ব্যাকরণ কাকে বলে ?
আমারা প্রতিদিন কিছু না কিছু করতে থাকি আমাদের জিবনে।
এছাড়াও প্রতিদিন আমরা আমাদের আশেপাশের পরিবারের মানুষ বা আমাদের আশেপাশে থাকা
মানুষদের বিভিন্ন ভাবে আমাদের মনের ভাব প্রকাশ করে থাকি ।
আর ভাব প্রকাশের জন্য আমারা যে মাধ্যাম ব্যবহার করি তাকেই বলে ভাসা।
আর এই ভাসাকেই যাখান কন শাত্রের মাধ্যমে বিশ্লেষ করা হ্য তাখান তাকে বলে ব্যকরন ।
প্রতিটি ভাষাই কিছু না কিছু উপাদান দ্বারা গঠিত হয় এবং বিভিন্ন নিয়মের মাধ্যমে বাবহারিত হয়।
প্রতিটি ভাষার ক্ষেত্রেই গঠনগত ও ব্যবহার গত নিজস্ব কিছু নিয়ম নিতি থাকে।
এই নিয়ম নিতির একক রুপ কেই বলা হয় ব্যকরণ।
। যখন আমরা কোনো ভাষার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাই তখন আমাদের ভাষার বিভিন্ন উপাদান গুলির মধ্যে যে পারস্পারিক সম্পর্ক গুলি সম্বন্ধে জানতে হবে।
আমরা আগে থেকে জানি যে বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়েছে সংস্কৃত ভাষা থেকে। তবে অনেক বাংলা ভাষায় যদি মনে করেন যে বাংলা ভাষা শুধুমাত্র বাড়িতে থেকে এসেছে তা নয়। বাংলা ভাষা মাগধী প্রাকৃত এবং পালির মতো বিন্দু আর্য ভাষা থেকে এসেছে।
যখন আমরা ইন্দো আর্য ভাষার ইতিহাস দেখতে যাই তখন আমরা দেখতে পাই যে ইন্দো ইরানিও ভাষার একটি প্রধান শাখা যা ইন্দো ইউরোপীয় ভাষা গোত্রের পূর্বাঞ্চলের একটি ধারণ মাত্র। প্রখ্যাত ভাষাবিদ সুনীতিকুমার চ্যাটার্জির মতে সংস্কৃত ও বৈদিক উপভাষাগুলোকে প্রাচীন ইন্দ আর্য যুগের প্রতিনিধি হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। মধ্য ইন্দো আর্য ভাষাগুলোর মধ্যে আছে পালি সহ প্রাকৃতির বিভিন্ন রূপ যেগুলো সাধারণত সম্রাট অশোক এবং ছেঁড়া বাদবুদ্ধ কাননের শিলালিপিতে উল্লেখ্য আছে।
প্রথম শতাব্দীতে বাংলা যখন মগদ রাজ্যের একটি অংশ ছিল, ঠিক সেই সময় বাংলা চারিদিকে ইন্দো আর্য উপভাষা গুলোর বেশ প্রভাব বিস্তার করেছিল। এই ভাষা গুলো মাগদি, প্রাকৃত ভাষা নামে পরিচিত আর এটি ছিল আধুনিক বাংলা বিহার ও আসামের লোকেদের কত ভাষা।
আরও অন্যান্য আমাদের পোস্ট পেতে Click here

No comments:
Post a Comment