Tuesday, 17 January 2023

 বাংলা ব্যকরন


  বাংলা ব্যাকরণঃ  বাংলা একটি সংস্কৃত শব্দ হলেও এটিকে বিশ্লেষণ করে বিশেষ  উৎপত্তিগত বিশ্লেষণ করা যায়। আমরা যখন কোন ভাষা সম্পর্কে আলোচনা করি। তখন সেই ভাষার মূল উপাদান গুলি ও অভ্যন্তরীণ উপাদান গুলিকে সংযোগ স্থাপনকারী শৃঙ্খলা সম্পর্কে অনেক কিছু জানা যায়। যা ওই নির্দিষ্ট ভাষা সম্পর্কে উৎপত্তিগত দিক থেকে যেসব নিয়ম-নীতি থাকে তাপ প্রণয়ন করা ও অন্যান্ন বিস্তারিত বিষয় সম্পর্কে লেখা থাকে। এই যে নিয়ম নীতিগুলি যে লিপিবদ্ধ করে তা অন্যের মধ্যে জ্ঞান প্রদানের জন্য ব্যবহার করা হয় একেই ব্যাকরণ বলে।  

ভাষা লিখতে পড়তে ও শুদ্ধ রূপে বলতে পারার জন্য যে শাস্ত্রের সাহায্য গঠনগত প্রকৃতি, ভাষা স্বরূপ নির্ণয় করে সুবিন্যস্ত  আকারে সাজাতে সাহায্য করে তাকে ব্যাকরণ বলে। 

প্রত্যেক ভাষার মতো বাংলা ভাষারও নির্দিষ্ট স্বরূপ আছে। ডাক্তার মোঃ শহিদুল্লাহর মতে, "যে শাস্ত্র জানলে বাংলা ভাষার শুদ্ধ লিখিত রূপ, বলার পদ্ধতি ও পরতে পারা যায় তাকে বাংলা ভাষায় বলা হয় বাংলা ব্যাকরণ। 

পৃথিবীতে যত ধরনের ভাষা আছে, প্রত্যেকটি ভাষারই ব্যাকরণের মতন একটি নির্দিষ্ট পুস্তক আছে যা আসে ভাষা সম্বন্ধে শুদ্ধ জ্ঞান লাভের জন্য সাহায্যকারী হয়। ঠিক তেমনিভাবে বাংলা ভাষাতেও ব্যাকরণ তথা বাংলা ব্যাকরণ এর মাধ্যমে আমরা বাংলা ভাষার শুদ্ধ স্বরূপ জানতে পারি। যেমন ধ্বনিতত্ত্ব শব্দতত্ত্ব রূপতত্ত্ব বাক্যতত্ত্ব এবং অর্থ তত্ত্ব আমরা জানতে পারি। 

ভাষা কাকে বলে? 

ভাষা কাকে বলেঃ মানুষের কন্ঠ থেকে উৎপন্ন ও মানুষের ভাব প্রকাশের জন্য যে ধ্বনি বের হয় এবং তা মনের ভাব প্রকাশে সম্পূর্ণ ভাবে সাহায্য করে তাকে বলা হয় ভাষা। 

সমার্থক শব্দ ও প্রতিশব্দ কাকে বলে? 

সমার্থক শব্দ ও প্রতিশব্দ কাকে বলেঃ  আমরা সাধারণত জানি প্রত্যেক ভাষায় আবার অঞ্চলভিত্তিক ভাবে আলাদাভাবে থাকে এবং আঞ্চলিক ভাষায় একই জিনিসের বিভিন্ন শব্দের ধারা বোঝানো হয়। অর্থাৎ আমরা বলতে পারি যখন অনেকগুলি শব্দের দ্বারা একই অর্থ বোঝানো হয় তখন একটি শব্দ অন্য শব্দগুলির প্রতিশব্দ হয়। 

সমার্থক শব্দ বলতে বোঝায় সমান অর্থ যুক্ত শব্দ। অর্থাৎ সমান শব্দ বা প্রতিশব্দ হল অনুরুপা সমর্থবোধক শব্দ। যে শব্দ অন্য কোন শব্দের প্রায় সমান বা অর্ধাংশ অর্থ বহন করে তাকে বলা হয় সমার্থক  শব্দ। সমার্থক শব্দের মধ্যে একটি শব্দ অন্য শব্দটির প্রতিশব্দ বলা হয়। 

একই শব্দের ভিন্ন অর্থে প্রয়োগ 

একই শব্দের ভিন্ন অর্থে প্রয়োগঃ   যে কোন ভাষার মূল সম্পদ হল ওই ভাষার শব্দ। ঠিক তেমনি ভাবেই বাংলা শব্দ ভান্ডারে অসংখ্য শব্দ রয়েছে তাই হলো বাংলা শব্দ ভান্ডারী সম্পদ।  বাংলা শব্দ ভান্ডারে যত শব্দ রয়েছে সেগুলি প্রত্যেকটি শব্দের অর্থ বিশেষভাবে আছে।তবে অনেক সময় দেখা যায় একই শব্দকে একটি বিশেষ অর্থে বা বিভিন্ন অর্থের মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় ভিন্ন ভিন্ন ভাবে প্রয়োগ করা হয়। শব্দের এরু ব্যবহারকেই বলা হয় ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত শব্দ। 

বিকল্প শব্দ বলতে কী বোঝায়? 

 বিকল্প শব্দ বলতে কী বোঝায়ঃ  অনেক সময় কোন শব্দ  সমজাতীয় অর্থ কিংবা ইতিবাচক অর্থ প্রকাশের জন্য যে শব্দ ব্যবহার করা হয় তাকে বিকল্প শব্দ বলে। শুধু যে বাংলা ভাষায় বিকল্প শব্দ ব্যবহার করা হয় তা নয় পৃথিবীর প্রত্যেকটি ভাষাতেই বিকল্প শব্দ ব্যবহার করা হয়। 

বাংলা ভাষায় ব্যবহার হয় যেম- কপাল, ভাগ্য, ললাট , নিয়তি  ইত্যাদি শব্দ। 

প্রবাদ বাক্য      

প্রবাদ বাক্যঃ   দৈনন্দিন ভিত্তিতে বিভিন্ন অর্থ বহন করে এমন কিছু বাক্য প্রায় মানুষের মুখে শোনা যায়। যা একটি বিশেষ অর্থ বহন করে তাকেই প্রবাদ বাক্য বলে। যেমন -" কাজে লাগলে কাজী আর কাজ  ফুরালেই পাজি "এই বাক্যের মধ্যে বুঝানো হয়েছে যখন কেউ আমাদের কাজে লাগে তখন আমরা তাকে সমাদৃত করে ডাকি কিন্তু যখন কাউকে আমাদের কাজে লাগেনা তখন তাকে আমরা বিশেষ কোনো গুরুত্ব দেই না।

Monday, 16 January 2023

ব্যাকরণ

 ব্যাকরণ কাকে বলে ? 

আমারা প্রতিদিন কিছু না কিছু করতে থাকি আমাদের জিবনে।

এছাড়াও প্রতিদিন আমরা আমাদের আশেপাশের পরিবারের মানুষ বা আমাদের আশেপাশে থাকা

মানুষদের বিভিন্ন ভাবে আমাদের মনের ভাব প্রকাশ করে থাকি ।

আর ভাব প্রকাশের জন্য আমারা যে মাধ্যাম ব্যবহার করি তাকেই বলে ভাসা।

আর এই ভাসাকেই যাখান কন শাত্রের মাধ্যমে বিশ্লেষ করা হ্য তাখান তাকে বলে ব্যকরন ।

প্রতিটি ভাষাই কিছু না কিছু উপাদান দ্বারা গঠিত হয় এবং বিভিন্ন নিয়মের মাধ্যমে বাবহারিত হয়।

প্রতিটি ভাষার ক্ষেত্রেই গঠনগত ও ব্যবহার গত নিজস্ব কিছু নিয়ম নিতি থাকে।

এই নিয়ম নিতির একক রুপ কেই বলা হয় ব্যকরণ।






 

। যখন আমরা কোনো ভাষার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাই তখন আমাদের ভাষার বিভিন্ন উপাদান গুলির মধ্যে যে পারস্পারিক সম্পর্ক গুলি সম্বন্ধে জানতে হবে।

আমরা আগে থেকে জানি যে বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়েছে সংস্কৃত ভাষা থেকে। তবে অনেক বাংলা ভাষায় যদি মনে করেন যে বাংলা ভাষা শুধুমাত্র বাড়িতে থেকে এসেছে তা নয়। বাংলা ভাষা মাগধী প্রাকৃত এবং পালির মতো বিন্দু আর্য ভাষা থেকে এসেছে। 

যখন আমরা ইন্দো আর্য ভাষার ইতিহাস দেখতে যাই তখন আমরা দেখতে পাই যে ইন্দো ইরানিও ভাষার একটি প্রধান শাখা যা ইন্দো ইউরোপীয় ভাষা গোত্রের পূর্বাঞ্চলের একটি ধারণ মাত্র। প্রখ্যাত ভাষাবিদ সুনীতিকুমার চ্যাটার্জির মতে সংস্কৃত ও বৈদিক উপভাষাগুলোকে প্রাচীন ইন্দ আর্য যুগের প্রতিনিধি হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। মধ্য ইন্দো আর্য ভাষাগুলোর মধ্যে আছে পালি সহ প্রাকৃতির বিভিন্ন রূপ যেগুলো সাধারণত সম্রাট অশোক এবং ছেঁড়া বাদবুদ্ধ কাননের শিলালিপিতে উল্লেখ্য আছে। 

প্রথম শতাব্দীতে বাংলা যখন মগদ রাজ্যের একটি অংশ ছিল, ঠিক সেই সময় বাংলা চারিদিকে ইন্দো আর্য উপভাষা গুলোর বেশ প্রভাব বিস্তার করেছিল। এই ভাষা গুলো মাগদি, প্রাকৃত ভাষা নামে পরিচিত আর এটি ছিল আধুনিক বাংলা বিহার ও আসামের লোকেদের কত ভাষা।

আরও অন্যান্য আমাদের পোস্ট পেতে Click here

  বাংলা ব্যকরন   বাংলা ব্যাকরণঃ   বাংলা একটি সংস্কৃত শব্দ হলেও এটিকে বিশ্লেষণ করে বিশেষ  উৎপত্তিগত বিশ্লেষণ করা যায়। আমরা যখন কোন ভাষা সম্প...